অংশগ্রহণকারী সুরক্ষা

“গবেষণা নৈতিকতা” (Research Ethics) হল নীতিগুলি যা একজন গবেষককে গবেষণার কাজ কীভাবে পরিচালনা করা উচিত তা নির্ধারণ করে. এই নীতিগুলি সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, সম্প্রদায় বা সরকারের মতো সংস্থাগুলির দ্বারা নির্ধারিত প্রবিধানগুলিকে আকার দিতে ব্যবহৃত হয়. মনোবিজ্ঞান গবেষণার আধুনিক পদ্ধতিগুলির মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতি, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি, চিকিৎসামূলক পদ্ধতি এবং পরিসংখ্যান পদ্ধতি উল্লেখযোগ্য. এই পদ্ধতিগুলি মস্তিষ্ক এবং শেখার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে আন্তঃব্যক্তিক ও মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কিত বিষয়গুলি অধ্যয়ন করতে ব্যবহৃত হয়. নৈতিকতার গুরুত্ব মনোবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অপরিহার্য, বিশেষ করে যখন এটি মানব আচরণ এবং মানসিক প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করে. উদাহরণস্বরূপ, অতীতের কিছু গবেষণায়, যেমন স্ট্যানফোর্ড জেল পরীক্ষা এবং মিলিগ্রামের আনুগত্য পরীক্ষা, অংশগ্রহণকারীদের উপর সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবের কারণে বর্তমানে আইনত সম্পাদন করা যায় না. প্রাতিষ্ঠানিক পর্যালোচনা বোর্ড (IRB) মনোবিজ্ঞানের পরীক্ষাগুলির নৈতিক কোড বা আইনি প্রয়োজনীয়তা লঙ্ঘন না করে মানব ও প্রাণী বিষয়গুলিকে রক্ষা করে তা নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে. সন্তানের শিক্ষায় পিতা-মাতার আমানতদারি: আধুনিক মনোবিজ্ঞানের গবেষণাও বলে, শিশুর নৈতিকতা ও আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপিত হয় জীবনের প্রথম সাত বছরে. এ সময় পিতা-মাতার ভালোবাসা ও শাসন উভয়ই প্রয়োজন. মনোবিজ্ঞান গবেষণায় নৈতিকতার ৭টি বিস্ময়কর দিক: না জানলে ক্ষতি
webmaster
আমরা সবাই জানি, মনোজগৎ কত রহস্যময়! মানুষের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি আর আচরণ নিয়ে গবেষণা করা এক দারুণ অভিজ্ঞতা, তাই না? কিন্তু ...





